মোস্তফা নুরুজ্জামান - প্রোফাইল
মোস্তফা নুরুজ্জামান

মোস্তফা নুরুজ্জামান

প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী প্রধান, সুশীলন

҅҅আমি পৃথিবীর একজন উপকারী মানুষ হতে চাই

ব্যক্তিগত তথ্য

জন্মস্থান

Satkhira

শিক্ষা

BA

ব্যক্তিগত পটভূমি

ঘুরে ওড়ানো আমার খুব প্রিয় ছিল৷ আমি ছোটবেলায় গরুর গাড়িতে আমার নানার বাড়ি বা বাবার বাড়িতে যেতাম, আরেকটা ঘটনা আমি আগের দিনের গল্পে বলতে ভুলে গিয়েছিলাম যে আমি আমার বাবার সাইকেলের রডে বসে আমি গিয়েছি৷ আমার বাবার নানার বাড়িতে যাওয়ার ঘন ঘন দুইটা কারণ ছিল যেহেতু বাবা পলিটিক্স করতেন, যেহেতু আমাদের বাড়ি অনেক দূরে বা অনেক রিমোটে ছিল আবার আমার নানার বাড়িটা কালীগঞ্জ উপজেলা থেকে পাশে ছিল সেজন্য আমার বাবা নানার বাড়িতে থাকতেন আর একটা বড় কারণ ছিল আমার জন্মের আনুমানিক দুই বছর আগে আমার নানার মৃত্যু হয়৷ আমার নানা একমাত্র ছেলে ছিল আমার ঝি মার৷ আমি ঝি মা বলছি এ কারণে আমার পৌ-নানা সে সময় বেঁচে ছিলেন৷ আমার নানা এবং তারা তিন বোন ছিল৷ নানা খুবই অল্প বয়সে মারা যান, অল্প বয়সের মধ্যে তৎকালীন সময় যেটাকে জোখা বলা হত এখন আমরা পাইলস বলি এই রোগে তিনি মারা যান৷ উনি যখন মারা যান তখন আমার জিমা উন্মাদ হয়ে যায় এবং আমার মা ক্লাস ফাইভে পড়েন৷ আমার মাকে বিয়ে দিয়ে আমার ঝি মার কাছে বাবাকে ছেলে হিসেবে দেয়৷ সেজন্য আমার বাবা আজীবন একটা ছেলের মত আমার নানার পরিবারকে রক্ষা করে গেছেন৷ আমার নানা যখন মারা যায় আমার মামারা খুব ছোট ছিল৷ অনেক সম্পদ ছিল যে সম্পদ গুলো রক্ষা করার জন্য প্রথমত আমার নানীর বাবা বাছা গাজী প্রতিদিন সন্ধ্যায় আসতেন দুধ দিতে এবং উনি আসতেন পথে বর্ষাকালে কিছু উঁচু জায়গা তখন কালভার্ট কে ছিল না উনার নেমে আসতে হতো, গামছা পরে উনি পার হয়ে আবার আসতেন৷ উনার সাথে হ্যারিকেন সাথে নেয়ার জন্য একজন জোন আসতেন৷ হ্যারিকেন ধরে তখন যাতায়াত করতে হলো এখনকার মতো তখন টর্চ লাইটের প্রচলন অত ছিল না৷

প্রাথমিক জীবন ও সংগ্রাম

ঘুরে ওড়ানো আমার খুব প্রিয় ছিল৷ আমি ছোটবেলায় গরুর গাড়িতে আমার নানার বাড়ি বা বাবার বাড়িতে যেতাম, আরেকটা ঘটনা আমি আগের দিনের গল্পে বলতে ভুলে গিয়েছিলাম যে আমি আমার বাবার সাইকেলের রডে বসে আমি গিয়েছি৷ আমার বাবার নানার বাড়িতে যাওয়ার ঘন ঘন দুইটা কারণ ছিল যেহেতু বাবা পলিটিক্স করতেন, যেহেতু আমাদের বাড়ি অনেক দূরে বা অনেক রিমোটে ছিল আবার আমার নানার বাড়িটা কালীগঞ্জ উপজেলা থেকে পাশে ছিল সেজন্য আমার বাবা নানার বাড়িতে থাকতেন আর একটা বড় কারণ ছিল আমার জন্মের আনুমানিক দুই বছর আগে আমার নানার মৃত্যু হয়৷ আমার নানা একমাত্র ছেলে ছিল আমার ঝি মার৷ আমি ঝি মা বলছি এ কারণে আমার পৌ-নানা সে সময় বেঁচে ছিলেন৷ আমার নানা এবং তারা তিন বোন ছিল৷ নানা খুবই অল্প বয়সে মারা যান, অল্প বয়সের মধ্যে তৎকালীন সময় যেটাকে জোখা বলা হত এখন আমরা পাইলস বলি এই রোগে তিনি মারা যান৷ উনি যখন মারা যান তখন আমার জিমা উন্মাদ হয়ে যায় এবং আমার মা ক্লাস ফাইভে পড়েন৷ আমার মাকে বিয়ে দিয়ে আমার ঝি মার কাছে বাবাকে ছেলে হিসেবে দেয়৷ সেজন্য আমার বাবা আজীবন একটা ছেলের মত আমার নানার পরিবারকে রক্ষা করে গেছেন৷ আমার নানা যখন মারা যায় আমার মামারা খুব ছোট ছিল৷ অনেক সম্পদ ছিল যে সম্পদ গুলো রক্ষা করার জন্য প্রথমত আমার নানীর বাবা বাছা গাজী প্রতিদিন সন্ধ্যায় আসতেন দুধ দিতে এবং উনি আসতেন পথে বর্ষাকালে কিছু উঁচু জায়গা তখন কালভার্ট কে ছিল না উনার নেমে আসতে হতো, গামছা পরে উনি পার হয়ে আবার আসতেন৷ উনার সাথে হ্যারিকেন সাথে নেয়ার জন্য একজন জোন আসতেন৷ হ্যারিকেন ধরে তখন যাতায়াত করতে হলো এখনকার মতো তখন টর্চ লাইটের প্রচলন অত ছিল না৷

ঘুরে ওড়ানো আমার খুব প্রিয় ছিল৷ আমি ছোটবেলায় গরুর গাড়িতে আমার নানার বাড়ি বা বাবার বাড়িতে যেতাম, আরেকটা ঘটনা আমি আগের দিনের গল্পে বলতে ভুলে গিয়েছিলাম যে আমি আমার বাবার সাইকেলের রডে বসে আমি গিয়েছি৷ আমার বাবার নানার বাড়িতে যাওয়ার ঘন ঘন দুইটা কারণ ছিল যেহেতু বাবা পলিটিক্স করতেন, যেহেতু আমাদের বাড়ি অনেক দূরে বা অনেক রিমোটে ছিল আবার আমার নানার বাড়িটা কালীগঞ্জ উপজেলা থেকে পাশে ছিল সেজন্য আমার বাবা নানার বাড়িতে থাকতেন আর একটা বড় কারণ ছিল আমার জন্মের আনুমানিক দুই বছর আগে আমার নানার মৃত্যু হয়৷ আমার নানা একমাত্র ছেলে ছিল আমার ঝি মার৷ আমি ঝি মা বলছি এ কারণে আমার পৌ-নানা সে সময় বেঁচে ছিলেন৷ আমার নানা এবং তারা তিন বোন ছিল৷ নানা খুবই অল্প বয়সে মারা যান, অল্প বয়সের মধ্যে তৎকালীন সময় যেটাকে জোখা বলা হত এখন আমরা পাইলস বলি এই রোগে তিনি মারা যান৷ উনি যখন মারা যান তখন আমার জিমা উন্মাদ হয়ে যায় এবং আমার মা ক্লাস ফাইভে পড়েন৷ আমার মাকে বিয়ে দিয়ে আমার ঝি মার কাছে বাবাকে ছেলে হিসেবে দেয়৷ সেজন্য আমার বাবা আজীবন একটা ছেলের মত আমার নানার পরিবারকে রক্ষা করে গেছেন৷ আমার নানা যখন মারা যায় আমার মামারা খুব ছোট ছিল৷ অনেক সম্পদ ছিল যে সম্পদ গুলো রক্ষা করার জন্য প্রথমত আমার নানীর বাবা বাছা গাজী প্রতিদিন সন্ধ্যায় আসতেন দুধ দিতে এবং উনি আসতেন পথে বর্ষাকালে কিছু উঁচু জায়গা তখন কালভার্ট কে ছিল না উনার নেমে আসতে হতো, গামছা পরে উনি পার হয়ে আবার আসতেন৷ উনার সাথে হ্যারিকেন সাথে নেয়ার জন্য একজন জোন আসতেন৷ হ্যারিকেন ধরে তখন যাতায়াত করতে হলো এখনকার মতো তখন টর্চ লাইটের প্রচলন অত ছিল না৷